অনলাইন গেমে আসক্তির প্রভাব সম্পর্কেও?

-1

অনলাইন গেমস এর প্রভাব শুধুমাত্র ব্যক্তি জীবনেই প্রভাব ফেলছে এমন নয়, এমনকি হুমকির মুখে পড়ছে সামাজিক ও সাংসারিক জীবনও

প্রযুক্তি একদিকে যেমন আর্শীবাদ তেমনিভাবে অন্যদিকে কিন্তু জীবনের অভিশাপও হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে বিভিন্ন অনলাইন গেমগুলোর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্করাও। শুধু ছেলেরাই নয়, আসক্ত হয়ে পড়ছে মেয়েরাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি জরিপে দেখা গেছে, কিশোর ও তরুণদের মধ্যে ৪.৬% ইন্টারনেট গেমিংয়ে আসক্তিতে ভুগছেন। যাদের মধ্যে ৬.৮% হচ্ছে ছেলে আর ১ দশমিক ৩ শতাংশ হচ্ছে মেয়ে।

অনলাইন গেমস এর প্রভাব শুধুমাত্র ব্যক্তি জীবনেই প্রভাব ফেলছে এমন নয়, এতে করে হুমকির মুখে পড়ছে সামাজিক ও সাংসারিক জীবনও। ঘটছে বিচ্ছেদের মতন মর্মান্তিক ঘটনা।

প্রবাল (ছদ্মনাম) ও তানিয়া (ছদ্মনাম), বিয়ের পরে তাদের মধ্যকার সম্পর্কটা মধুর হলেও, অনলাইন গেমের প্রতি আসক্তির ফলে দিন দিন সংসারের প্রতি অনীহা বাড়তে থাকে প্রবালের। তানিয়াকে সময় দেওয়া তো দূরের কধা, সংসারের দায়িত্বগুলোর প্রতিও তার মনোযোগ নেই একদম। ছোট্ট সাজানো-গোছানো সংসারে এখন বাজছে ভাঙ্গনের সুর।

অনলাইন গেমের প্রতি আসক্তির কারণে, শুধুই কি সংসার ভাঙ্গছে কিংবা সম্পর্কে ফাটল ধরছে? আসুন জেনে নেই, এই প্রযুক্তির একটি দিক কীভাবে আমাদের জন্য দিন দিন অভিশাপে পরিণত হচ্ছে:

১. আজকের তরুণ প্রজন্ম অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এই বয়সে অতিরিক্ত গেম খেলার ফলে তাদের দৈনন্দিন চিন্তাচেতনা ও আচারণের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। যা তাদের সামাজিক দক্ষতাকে কমিয়ে দিচ্ছে।

২. গেমের প্রতি আসক্তির ফলে পড়াশোনা কিংবা স্বাস্থ্যের প্রতি তাদের কোনো খেয়াল থাকে না। মেজাজ সর্বদা খিটখিটে হয়ে থাকে। এমনকি পরিবারের কেউ ডাকলে সারা দেয়া তো দূরে কথা তারা সেটি কানেও তোলে না৷ ফলে রাগারাগির পর্যায়েও চলে যায়। এ ধরনের আচারণগত সমস্যাগুলো সামাজিক জীবন ও তরুণ প্রজন্মের জন্য হুমকিস্বরূপ।

৩. পারিবারিক জীবনে তারা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাবা-মাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকছে। সামাজিক সম্পর্কগুলোর মূল্য দিন দিন কমতে থাকবে।

৪. কারও কারও বৈবাহিক জীবনেও এর প্রভাব পড়ছে। সঙ্গীকে সময় দেয়ার প্রতি অনীহা তৈরি হচ্ছে, এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকলে সেটি বিচ্ছেদের দিকে মোড় নেয়। এমন ঘটনাগুলোও বেড়েই চলেছে।

৫. এমনকি গেমের বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে আচরণগত পরিবর্তিতও দেখা যায়, আচরণ আগ্রাসী হতে থাকে। অল্পতেই রেগে যাওয়া তার মধ্যে একটি। নিজের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বা অপরকে আঘাত অথবা হত্যা করার প্রবণতাও দেখা দিতে পারে।

Category: asked November 27, 2021

1 Answer

-1
ওহে. খুব তথ্যপূর্ণ এবং দরকারী. https://mostbet.cricket/ এর মতো পরিষেবাগুলির সাথে যুক্ত এই ধরণের সমস্যা সম্পর্কে লোকেদের আরও জানা উচিত৷ আমি আশা করি মানুষ যদি তাদের অনুরূপ দুর্বলতা থাকে তবে আরও সতর্ক হবে। এবং তাদের জন্য এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য কিছু সহজ বিকল্প থাকতে চাই।